- Advertisment -
HomelifestyleHealthঘুমোতে যাবার সময় কি অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার করেন, তাহলে জেনে নিন তার...

ঘুমোতে যাবার সময় কি অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার করেন, তাহলে জেনে নিন তার বিপদজনক ফলাফল

আমাদের প্রত্যেক দিনের জীবনের সঙ্গে স্মার্টফোন (Mobile) ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। জীবনের কোন কাজ আমরা স্মার্ট ফোন ছাড়া করতে পারিনা। একদিনও এই ফোন ছাড়া আমরা চলতে পারব না। দিনের শুরুটা আমাদের হয় ফোনের সাথে। রাতে অনেক সময় বিছানায় শুয়ে শুয়ে আমার ফোনে সিনেমা দেখি।

অর্থাৎ সারাটা দিন আমাদের স্মার্টফোনের সঙ্গেই কেটে যায়। এই অভ্যাস আরো কিছুটা বেড়ে গেছে গৃহবন্দি হয়ে থাকার ফলে। একমাত্র স্মার্টফোনের দ্বারা আমরা কিছুটা হলেও বিনোদন খুঁজে পাই নিজেদের জীবনে।

তবে এই স্মার্ট ফোন অত্যাধিক ইউজ করার পাশাপাশি রাতে বিছানায় নিয়ে শুতে যাওয়ার যে কতখানি খারাপ প্রভাব পড়ে আমাদের জীবনে তা আমরা অনেকেই জানিনা। ঘুমোতে যাবার আগে শরীর এবং মন অন্য ভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে কিন্তু যদি আমরা ঘুমোতে যাবার সময় হাতে স্মার্টফোন নিয়ে বিছানায় প্রবেশ করি, তাহলে সেটি আমাদের মানসিক এবং শারীরিক দিকে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

night sleeping problem

সম্প্রতি একটি গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে যে, ঘুমের সময় যদি ফোন বেশি ব্যবহার করা হয় তাহলে সেটি আমাদের স্লিপি সাইকেলে বাঁধা সৃষ্টি করে। আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এটি। আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে একটি স্লিপ সাইকেল রয়েছে যা সম্পন্ন হলে তবেই আমাদের ঘুম ভেঙে যায়।

কিন্তু সারারাত যদি জেগেই আমরা ফোন ব্যবহার করি তাহলে, এটি এই সাইকেল কে ব্যাহত করতে বাধ্য করে এবং আমাদের ঘুম পূরণ হয় না ফলে সারা দিন আমরা ক্লান্ত বোধ করতে পারি।

এই ফোনের ব্লু লাইট থেকে আমাদের শরীরে রোগ সমূহ ক্ষতি হতে পারে। ফোনের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। ১৯৯৯ সালে ন্যাশনাল টক্সিকোলজি প্রোগ্রামে ইঁদুরের ওপর স্মার্টফোনের তেজস্ক্রিয় বিকিরণের কি কি প্রভাব ফেলতে পারে তার একটি পরীক্ষা করা হয়েছিল। তখন জানতে পারা যায় যে, এই তেজস্ক্রিয় বিকিরণ আমাদের শরীরে টিউমার পর্যন্ত তৈরি করে দিতে পারে।

night sleep problem

যদিও অধিকাংশ গবেষণায় এই বিষয়টিকে অস্বীকার করেছে কিন্তু তাও আমাদের সচেতনতা অবলম্বন করা উচিত। ঘুমের সময় যদি আমাদের গান শুনতে ইচ্ছা করে তাহলে ফোনটিকে দূরে রেখে ব্লুটুথ স্পিকার ব্যবহার করা উচিত অথবা ইয়ারবাড ব্যবহার করা উচিত।

এর ফলে ফোন থেকে দূরত্ব বজায় থাকবে আমাদের শরীরের। নতুবা আরো একটি পথ অবলম্বন করা যায়। ফোনটিকে যদি নিজের থেকে তিন ফুটের দূরত্ব বজায় রেখে রাখা যায় তাহলে আমাদের ঘুম ভালো হবে এবং শরীর মন দুটোই ভাল থাকবে।শরীরের ক্লান্তি থাকবে না এবং আমাদের সমস্ত কাজ করতে এনার্জি পাওয়া যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরে বা অন্ধকার দেখেন? জেনে নিন আসল...

বিশেষজ্ঞরা বলছেন (Dizziness) এটিকে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়, কারণ এর ফলে ভবিষ্যতে বড় বিপদ হতে পারে।

সুগার থাকবে নিয়ন্ত্রণে, খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন এই ১০ সুপারফুড!

ডায়াবেটিস শব্দটির সাথে আমরা সকলেই পরিচিত৷  আট থেকে আশি সকলেই এই রোগের সাথে...

ভিটামিন ক্যাপসুল এর কাজ করতে পারে কাঁঠালের বীজ, বাড়বে ইমিউনিটি

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভ্যাকসিন পাওয়ার অপেক্ষায় গোটা দেশ। হয়তো ভ্যাকসিন পাওয়ার আগেই আক্রান্ত...

রাত্রে ঘুম আসেনা? জেনে নিন ৫ মিনিটে ঘুমিয়ে পরার একটি অব্যর্থ...

যেকোনো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য উপযুক্ত পথ্য এবং পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরী।...